Sunday, February 14, 2016

परछाई ज़िन्दगी की

कुछ मीठे लम्हे, कुछ यादें साथ है,
सर्द हवा सी सरसराती तेरी हर बात है,
लिपटने को दिल करे , हर पल , ऐय जानेमन ,
तेरी आगोश में मैंने एक सुकून की तन्हाई देखि है ,
तेरी आँखों में मैंने ज़िन्दगी की परछाई देखि है।

हरवक्त हर लम्हा तुझसे मिलने को दिल करे ऐय ज़िन्दगी ,
तेरी बाहो में फूल बनके खिलने को दिल करे ऐय ज़िन्दगी ,
इंतज़ार में ढल जाये ज़िन्दगी तो गम नही,
इसी इम्तेहां में मैंने अपनी रुसवाई देखि है,
तेरी आँखों में मैंने ज़िन्दगी की परछाई देखि है।

Thursday, February 11, 2016

তক্তি

ট্যাবলয়েডে জমতে থাকে ঘাম, পচতে থাকে কথা, স্মৃতির ফসিল ভাসিয়ে দিয়ে গাঙে, একটু নীরবতা। ফুটনোটেতে প্রণাম সেরে, ঝরছে বালি, সাতকাহন, জীবনের ঢাল মাটিতে, ছুটছে গাড়ি, যানবাহন। দিনেকের আলসেমি আর ঘোড়দৌড়ের মাঠ ছেড়ে, রাত্রি হোলে, বেহিসেবি চিন্তাগুলো, ঘর ফেরে। রাত জাগা পাখি, মনভোলানি, নিয়ম করে আদর মাখে, ক্লান্ত চোখে খুঁজছে শহর, ফিরিয়ে দেওয়া এই আমাকে।

Monday, February 8, 2016

The Renaissance

You stole my heart, I knew,
The very moment I saw you. And then we came closer, We laughed together, We pat' each others back. We strolled around the crowded roads, We sat over the empty beaches. You healed my wounds, I felt, You blown kisses and I melt', I adored you, I messed you up with joy, You lit the fire inside, You brought the snow over hills, And we together, redefined ourselves, We redefined love, an eternal bonding. We fell in love, I knew, The very moment I saw you.

কথা রাখবেনা জানি

নিদ্রাহীন চক্ষুপলক, কঠোর অভিমানী,
ওত পেতে বোসে থাকে রাগ, ধূসর বনানী, তবু, কথা রাখবেনা জানি।
এলোমেলো লাব - ডাব, নয়নেতে পানি, হৃদপুর আদালতে আজ বিবশ শুনানি, তবু, কথা রাখবেনা জানি।
ঢং ঢং ডংকা, বাতাসে পিসাচের বানী, আঁধার গভীর রাতে ছুরিকাঘাত হানি, তুমি, কথা রাখলেনা জানি।

Tuesday, February 2, 2016

Random Thoughts

Everyone has their own way of defining happiness. I am happy doesn't imply you would also be happy if you were me and vice versa. I am different so are you, miles apart from each other in confined space and time. Miles apart in features, not only physically but psychologically and even in how we react to situations, how we define ourselves, what we are and what we pretend to be, miles apart we are. Our priorities are different so as their dynamics, how they change, the time scales of their existence and the determination, the desperation of preserving the priorities are different as well, miles apart. The conundrum is ready to throw up in the air expecting a magical way out. Randomness creeps in, all possible steady states fight for their survival and then it sounds quite crazy how I got the stable and you the unstable ones. Well I am sure you feel the same, and here we broke the conundrum, we think in the same direction, however, with a completely different conclusion. So random is life, so different are people, so many paths to follow, so many hidden facts and so many stated rumors we live with. There are so many reasons to prove our worth but then again what dominate are the excuses, so many, to stand our own mistakes. So random are our choices, how differently we accept, reject and defend things and that is what defines the difference between what we are and what we pretend to be. So random is life, so random.

Monday, February 1, 2016

সিম্ফনি

আবেগের স্বরলিপি, পোকাকাটা বইয়ে মুখ গুঁজি,
গলা পচা ধারাপাতে, ক্ষণিকের স্তব্ধতা খুঁজি।
এলোমেলো কঙ্কাল, অবয়বে আনুবিস ক্লিশে,
বুক খুঁড়ে শুনেছি, সিম্ফনি, ধীরে ফিসফিসে।
স্পর্শের লুকোচুরি, পিঞ্জরে গোপন আদল,
পানসে, স্মৃতি মাখা সানগ্লাসে বৃষ্টিবাদল।
টুকিটাকি লেনদেন, বড়সড় কারচুপি ঢাকে,
ঝরে পড়া কবিতারা প্লাবনের পেলবতা রাখে।
বিভবের কম বেশী, পাগলা ষাঁড়ের দাপাদাপি,
মনের বাগান জুড়ে চরম অবাধ্যতা মাপি।
ভ্যাবাচ্যাকা সেরেবেলাম, মাসপেশি স্থির, জড়সড়,
শব্দ-খেলার মাঝে আবেগের অংশটা বড়।

Sunday, January 24, 2016

দংশন

বল্মকে সারা আকাশ ঢেকেছে,
ছিদ্রাল আজি বায়ু,
হৃদয়পাটে কারফিউ জারি,
যান্ত্রিক পরমায়ু।
সুষুম্নাতে ক্ষণ-অবসাদ,
মগজ পক্ষপাতী,
কলতান্ডবে ক্ষতবিক্ষত,
বলদাম্ভিক ছাতি।
নিরাপদ আজি চাঁদ সওদাগর,
লৌহ-মেকি-তাজে,
সমুখে কাল-রাত্রি, নীরবে 
মর-ডংকা বাজে।

Friday, January 15, 2016

ভেংচি

সংযম; তবু বিরহের চেয়ে দামী,
চার দেওয়ালের অন্তরালের সামাজিক নষ্টামি।
সংঘাত; জানি আদরের চেয়ে শ্রেয়,
বুকফাটা জলে ভাসিয়ে দেওয়া জ্যান্ত সারমেয়।

সঙ্গীত; এত হামবড়া ভাব তোর কিসে,
সবুজ বিতান ছাই হয়ে গেছে তোর উগরানো বিষে। 

Monday, January 11, 2016

एक प्यार का अफ़साना

अक्सर बिछड़ जाते हैं राह मे मिलने वाले, रातको बिखर जाते हैं दिन मे खिलने वाले,
महफ़िल भी अपना साथ छोड़ दे रात ढलते ढलते, वरना जाम की कमी नही करते प्यार करने वाले,
अक्सर बिछड़ जाते हैं राह मे मिलने वाले।

उनकी यादों से दिल लगा बैठे तो दर्द हुई,
सांसो में उन्हें पनहा दे बैठे तो दर्द हुई,
ये कोई इत्तेफाक नही की कश्मकश मे है ज़िन्दगी ,
अक्सर दिल जला बैठ ते हैं प्यार करने वाले, अक्सर बिछड़ जाते हैं राह मे मिलने वाले।

कसम एय उल्फत तेरी ज़ुल्फ़ो के छाओं मे,
शाम ढल आती हे दूर किसी गाँव में, लम्हा लम्हा जलता है दिल कशिश मे तेरी, और जान गवा बैठ ता है प्यार करने वाले, अक्सर बिछड़ जाते हैं राह मे मिलने वाले।

Friday, January 8, 2016

AWEসাধারণ

ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি, ওপরের ওঠার পথটা নাকি কঠিন! কিন্তু এতগুলো বছর পেরিয়ে, স্কুল কলেজ এর গণ্ডি মাড়িয়ে এলাম, কেও কোনদিন বলে দিল না যে পথটা যতটা কঠিন তার চেয়েও বেশী পঙ্কিল। অবশ্য ছোটো বেলায় এটাও শুনেছি যে পদ্ম পাঁকে ফোটে। কিন্তু এই দুটি কথা যে একসাথেও অর্থপূর্ণ হতে পারে সেটা অভিজ্ঞতাই শিখিয়েছে।

প্রত্যেকেই চায় তার সন্তানসন্ততি বড় হয়ে উঠুক, সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে উঠুক, কারণ তারা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে যাচাই করে বুঝেছেন, সাধারণ এর কোন মূল্য নেই। সাধারণ মানুষ থেকে অসাধারণ হওয়ার দৌড়টা যে কতটা একতরফা তা সেই দৌড়ে সামিল না হলে বোঝাটা কঠিন। জন্মের সাথে সাথে যে সাধারণ কিম্বা অতিসাধারণের তকমা সেঁটে দেওয়া হয় একটা বাচ্চাকে তার সার্বিক পারিপার্শ্বিক এর পরিপ্রেক্ষিতে, যার জন্য আদৌ সে দায়ী নয়, সেই তকমাটা তার জীবন ধারণের পরিপন্থী না হলে যে পরিমাণ কাঠখড় পোড়াতে হয় সেই সাধারণ কিম্বা অতিসাধারণ এর ছায়া থেকে বেরিয়ে আসতে, সেটা অপরিকল্পনীয়। আর যারা অসাধারণের ট্যাগ নিয়ে এ জগতে অবতরণ করে তাদের কাছে দুনিয়া একটাই, সেখানে সাধারণ বা অতিসাধারণের কোন জায়গা নেই। তাই জন্মানোর আগে আমি একজন রাজনীতিবিদ, চিত্রাভিনেতা কিম্বা ক্রিকেটারের ঘরের দুলাল হব, এই অভিলাষ প্রকাশের সুযোগটা বোধহয় সৃষ্টিকর্তার টেবিলে থাকা উচিৎ। অবশ্য এটা ভেবে বসার কোন কারণ নেই যে আমি সৃষ্টিকর্তা ভগবানে বিশ্বাসী। এতদিন ধরে মানুষের মধ্যে থেকে মানুষকেই বিস্বাস করে উঠতে পারলাম না! যাইহোক, মুল কথায় ফেরা যাক। তা সেই পঙ্কিল ঘোলা জলে সন্তরণে যারা সিদ্ধহস্ত, যারা পাঁকের মধ্যে কমলের সন্ধান পেয়েছেন বলে আমাদের ধারনা, তাদের লেজটা খুঁজে সেটা আঁকড়ে ধরে ভেসে বেড়ানো লোকের সংখ্যাটাও নেহাতই কম নয়। মাঝে মধ্যে মোটা লেজকে সতেজ ও সবল রাখতে তেল-মাখন ইত্যাদি দ্বারা মর্দন করে দেওয়াটা এদের কাছে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। ভুল ভাবার অবকাশ নেই, সন্তরণের জন্য লেজটা অত্যাবশ্যক। আর যারা সন্তরণ কিম্বা লেজে তেল-মাখন মাখানোর স্বাভাব কোনটাই আয়ত্তে আনতে পারেনি তাদের জীবনের মূল্য লোকাল বাস এর টিকিট এর মতন, যতক্ষণ বাসে আছে ততক্ষণ হাতবদল আর তারপর তো চেবানো chewing gum ও এর চেয়ে বেশী দামি। সে যা করেই হোক, একবার ওপরে উঠে যেতে পারলেই যে কেল্লা ফতে, এই ধারনা নিয়ে যারা ঝড়-বৃষ্টি-কাদা-পাঁক উপেক্ষা করে, লেজ ধরে কিম্বা মইয়ে ভর করে ওপরের দিকে উঠে চলেছে, যাদের দিকে তাকিয়ে নিচের মানুষগুলো ভাবে কি সুখেই না এরা ওপরের সিঁড়িটায় দাঁড়ীয়ে, তাদের অবস্থাটা অনেকটা ছেঁড়া টাকার মত, ফেলেও দেওয়া যায় না আবার ব্যাবহার উপযোগী ও নয়, শুধু ভরসা সরকার। আর রাস্তাটা অনেকটা সমুদ্রের পাড়ে দাঁড়ীয়ে দেখতে পাওয়া দিগন্তের মত। পাড় থেকে বেশ সুন্দর দেখায়, মনে হয় একবার সমুদ্রে ঝাঁপ দিলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে দিগন্তে আর তারপর সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত হবে আমার নিয়ন্ত্রণে। যারা সাঁতার জানে না তাদের ধারনা যারা সাঁতার জানে তারা কি সৌভাগ্যবান। আর যারা নিজের সন্তরণশৈলীর ওপর ভরসা রেখে পাড়ের সাঁতার না জানাদের সাবাসি নিয়ে একবার ঝাঁপ দিয়েছে শুধু তারাই জানে, না আছে ফেরার পথ আর না আছে কোন গন্তব্য।

এই পর্যন্ত পড়ে যদি মনে হয়ে থাকে যে আমি একজন সমালোচক তাহলে আপনি যথার্থই ভাবছেন শুধু এটুকু যোগ করব যে সমালোচনার শেষটা যাতে আশাবাদী হয় সেই চেষ্টায় ত্রুটি রাখব না।  সুতরাং প্রশ্ন হোল, তাহলে উপায় কি! উত্তরটাও সর্বজনবিদিত। যদি সাধারণ মানুষ এর ছাপ নিয়ে এসেছেন তাহলে ভগবান আপনার সহায়, কারণ সাধারণ মানুষ আপনার প্রতিযোগী আর অসাধারণ মানুষদের কাছে আপনার কোন অস্তিত্ব নেই, যদি না তার কালো টাকার সদ্গতি করার সময় উপস্থিত হয়ে থাকে। এককথায় নিরুপায় এবং একা। তবে ফাটকা খেলতে ছাড়বেন না। একমাত্র ফাটকাই আপনাকে শীর্ষে পৌঁছে দিতে পারে কারণ একমাত্র এটাই নিরপেক্ষ। ফাটকার অভাব নেই এ দুনিয়ায়। ধর্ম, জ্ঞান-বিজ্ঞান, স্থান-কাল-পাত্র ভেদে জাতি, নিয়ম-কানুন, সবই আজকাল ফাটকা। এসব দিয়েও যদি কিছু না করে থাকতে পারেন, একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া আপনাকে দেখার কেও নেই এটা যত তাড়াতাড়ি বুঝবেন ততই দেশের, দশের ও দাসের মঙ্গল। আর যদি ফাটকায় বিশ্বাস না রাখেন, নিজের ওপর আস্থা রাখা ছাড়া উপায় কি। একবার মনে প্রশ্ন জেগেছিল, আমরা কেন জন্ম থেকেই হাঁটতে পারি না, কেন হামাগুড়ি দিয়ে, আছাড় খেয়ে শিখতে হয়। ভেবে দেখলাম, প্রকৃতি আমাদের ছোটবেলাতেই সাবধান করে দিয়েছে, ওপরের দিকে তাকিয়ে পথ চললে হোঁচট খেতে হয়। তাই প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কিছু করা, নইব-নইব-চ। প্রকৃতির নিয়মে আমরা ডানাবিহীন প্রাণী। পাখি দেখে ওড়ার সখ জাগাটা স্বাভাবিক, তবে কাঁকড়ার গল্পটাও যদি শোনা না থাকে তাহলে একটু মনে করিয়ে দেওয়াটা আমার কর্তব্য।

লোকাল ট্রেনে এক কাঁকড়া ব্যবসায়ি এক গামলা জ্যান্ত কাঁকড়া নিয়ে উঠেছেন। ভিড় ট্রেন, অথচ গামলার মুখটা হাঁ করে খোলা। কিছু কাঁকড়া গামলার গা বেয়ে ওপরের দিকে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই দেখে, কিছুটা ভয় আর কিছুটা  উদ্বেগ এর বশবর্তী হয়ে এক সহযাত্রী বলেই ফেললেন, 'দাদা আপনার কাঁকড়ার গামলা টা যে খোলা, কিছু কাঁকড়া তো গা বেয়ে উঠেও আসছে। বেরিয়ে পড়বে তো!'  ব্যবসায়ি শান্ত গলায় উত্তর দিলেন, 'চিন্তার কোন কারণ নেই দাদা, এগুলো মানুষ-কাঁকড়া, দেখছেন না, একজন গা বেয়ে উঠছে অমনি আরেকজন তাকে টেনে নামিয়ে দিচ্ছে।'

সুতরাং মানুষ যতদিন এই সহজাত প্রবৃত্তিকে জয় না করছে, ডানাটা না হয় পাখিরই থাক।

আপনাদের কতটা খুশী করতে পারলান জানিনা, তবে তোষামুদে মানুষদের খুশী করাটা আমার স্বভাব বহির্ভূত। তাই আপাতত এখানেই ইতি টানছি। 

Wednesday, January 6, 2016

স্বীকারোক্তি - ১

আখড়ায় নামবো,
তিল তিল করে মাংসপেশি বুনেছি,
খাটের ওপাশ থেকে তোর চিৎকার শুনেছি।

আলো শেষ,
দিনে দিনে সলতে পুড়ে ছাই,
আজ রাতে তোর উষ্ণতা চাই।

ব্যাথা নেই,
অন্ধকারে, শেষ কোপ দিয়ে যাস,
তেলে-জলে মেশামেশি, অভ্যাস।

Monday, January 4, 2016

বদলের ইতিকথা - ১

টুকটুকে লাল শাড়ি,
পা দুটি লাল রঙে রাঙা,
ফুটফুটে বয়স ভারী,
শরীরের উঁচু নিচু ডাঙা।
মনে আশা, টুকরো ছোট বড়,
সজল চোখে, অদূর ভবিষ্যত,
চোখের কোণে, কাজল-কালো চিরে,
যায় দেখা অদম্য হিম্মত।
দিনে দিনে সবুজ থেকে হলুদ, 
তেলে জলে কেমন মিশে গেল,
গড়ে ওঠে কাঁচের প্রাচীর কবে,
"সে ইতিহাস গোপন থাকাই ভাল"। 

তারপর , নিয়ম, রীতিনীতি,
অভ্যাস এর সাথে ওঠা বসা,
টুকরো আশা স্তূপের ওপর বসে,
জীবনের কঠিন অঙ্ক কষা। 

Friday, January 1, 2016

মনখারাপের আকিবুকি

তালগোল পাকিয়েছে চিন্তা, উঁকি মারে একরাস ভয়, আলগা সুতার মাঝে ওয়েসিস, উড়ে গেছে বন্দি সময়। কদাকার, কিম্ভুত লোকজন, কাঁটাতার, বন্ধুর পথ, অমানিশি, খোঁচা মারে জোছনা, সঙসাজা, মেকি জনমত। হালফিলে হাত ধরে ঘুরতাম, ছোঁওয়াছুঁই, ঠোটে ঠোটে বিদ্বেষ, নিকোটিনে আধখাওয়া ফুসফুস, সাঁঝবাতি, দিন বুঝি হোলো শেষ।

Sunday, December 27, 2015

এজাহারনামা

ভালো মন্দের ছোঁওয়াছুঁইতে আলোড়িত আবেগি মন,
নিস্তরঙ্গতার শব্দে মুখরিত বাতাবরন,
নিদ্রাহীনতায় ধুঁকছে শহর; 
কাগজে মোড়া, তোমার আমার চিলেকোঠায়, চির বিবর্তন।
জটপাকানো সাবেকি আদবকায়দা স্পর্শহীনতায় কর্দমাক্ত; 
নিভু নিভু পিদিমের মসনদে তুমি পরিযায়ী, 
হালফিলের ঘনঘটার মলিনতায় প্রবঞ্চিত, আমি দূরগামী,
ইহাই চিরন্তন।

হিসেবনিকেশ

টালবাহানা, হিসেবনিকেশ 
মিটিয়ে দিলাম, কানাকড়ি শেষ,
টুকরো ভাঙা স্মৃতির ফলক,
ভাসিয়ে দিলাম, এই আছি বেশ। 
ঠুনকো বাঁশী, বাজিয়েছিলাম, একনাগাড়ে 
কালোয়াতি, সুর ধরেছি, রুদ্ধস্বরে,
দানপ্রতিদান স্তব্ধ হোল , মাসকাবারি 
তুলব না আর, মাসের শেষে, তাসের ঘরে। 

Friday, December 18, 2015

জীবনের ফেরিওয়ালা

আনমনা দুটি চোখ ,
অবিকল  চেনা তার ভাষা,
জীবনের মাপে মাপা টিমটিমে ক্ষুদ্র কিছু আশা।
রাসভারী দিনকাল , বিলাসিতা - ফিরিওয়ালা হাঁকে ,
শ্রম দিয়ে কিনেনি দুপসলা বৃষ্টি যদি থাকে।
স্বপ্নের খেয়া বেয়ে , সময়ের প্লাবনেতে ভাসি ,
সম্বল খড়কুটো , চলো আজ চাঁদ ছুয়ে আসি।

চেনা জানা পথঘাট ,
দিশাহীন জীবনের গতি ,
অগভীর বন্দর জংপড়া জীবনের জেটি।
চেনা মুখ জানা পথ পেরিয়ে যদি কিছু থাকে ,
একবার মেখে আসা , রোদ্দুর , ক্লান্তির ফাঁকে।
একবার ঘুরে আসা , বেঁচে আসা জীবনের টানে ,
একবার মেপে দ্যাখা জীবনকে বাঁধহীন প্রাণে ।

Thursday, October 15, 2015

The Flame Within

And then with words unspoken ,
Feelings unshared,
Moments not lived
And with the wish to fulfill all, well protected inside,
The wait continues...
The wait continues with  emptiness gobbling around,
with despair running through veins to the brain,
faster than blood,
bringing an end to the overwhelming life of liveliness,
an era that passed alongside.

Then comes a change,

a change in trend,
a trend that defines us, ourselves, our anonymity.
Our anonymity that had engulfed the flame within,
the flame within our body, our society, our own self-esteem.
the flame of honesty, fraternity and humanity,
the flame, the burning flame of self belief..
The self belief to win,
the self belief to live,
live a life full of joy and fulfillment,
the flame to achieve the goal,
the goal to be a Human.

Monday, September 28, 2015

তালপোকা

রাতভর শীতঘুম, অবসরে দিবা খোয়াব প্রীয়,
রণেতে ভঙ্গ দিয়ে অভিসারে সুখটান দিয়ো।
হুজুগে মাতব্বরি, সুযোগে নিওন আলো জ্বেলো,
শাঁখের করাত দিয়ে অফিসেতে কাটাকুটি খেলো।
পুঁথিগত বিদ্যে, চুল দাড়ি, জ্ঞান কচকচি,
স্কুলের রেলিং ধরে, শালবনে অঞ্জন, নচী।
চিবুকে পানের বোঁটা, পেছনে তে কক্সিস বড়,
লোকমুখে শোনা, বাঁসের চেয়ে কঞ্চি নাকি দড়!

Tuesday, August 18, 2015

বোহেমিয়ান

আজকে আবার যাওয়ার পালা - নিরুদ্দেশে ,
রঙ হারানো, জীর্ণ দেহ - রুক্ষ বেশে।
আজকে আবার ফিরিয়ে দেওয়া - আবোল তাবোল ,
ফুরিয়ে যাওয়া , বিশ্রামহীন - গাইতি শাবল।
আজকে আবার তোমার আমার - দীপ্তিশিখা ,
ক্লান্ত দেহ , গুটিয়ে নেওয়া - জীবনরেখা।
আজকে আবার আদান প্রদান - নিয়ম কানুন,
ভাঙাগড়ার কারিগর আজ হিজাব টানুন।  
এবার সময়, কান্না হাসির নাটক ছাড়ো ,
মনের মাঠে কবর পোঁতা - মহেঞ্জোদাড়ো।

Thursday, July 2, 2015

বৃষ্টি দেখবো বলে

বৃষ্টি দেখবো বলে দুপা বাড়িয়ে, কিছুটা হেঁটে থমকে গেছি পথে,
মরা পচা গলা জীবনের স্রোতে দুর্নীতির কর্দমাক্ত প্রাচীর আমাদের সামনে ।
কিছু লেজ মোটা, মাথা মোটা মানুষের সারি দিব্যি তার পাশের রাস্তা বেয়ে চলেছে দিনের পর দিন ,
কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করে চলে যাচ্ছে বেশ ।
প্রাচীরের ওদিকটা দ্যাখার চেষ্টায় উদ্যমের স্ফুলিঙ্গের অভাব ।
বৃষ্টিটা যে ওদিকে,
ভিজতে হলে ভাঙতে হবে প্রাচীর ,
শুধু  দু-এক পসলা ছাটে আমার মন নির্বিকার ।
গুবরে মাথা আর কুবরে ব্যাঙ্ক ব্যালানস ওয়ালা দের পাশ কাটিয়ে দেওয়াল অবধি পৌঁছতে বেগ পেতে হবে নিঃসন্দেহে।
দিনের শেষে সন্ধ্যে হয়েছে বহুদিন ,
গভীর রাতের হাতছানিও অনতিদূর,
বৃষ্টি ভেজা রাতের পর ভোরের আকাশটা খুব সুন্দর ।
শুধু রাতের কৃষ্ণ গহ্বরে বন্দি হওয়ার আগে,
এক তীব্র আবর্তে রাতের অভিকর্ষ কাটিয়ে আবার আলো ফিরে পাওয়ার আশায় ,
বৃষ্টিতে ভেজার আশায় - দুপা বাড়িয়েছি।

Wednesday, March 26, 2014

অসম্পূর্ণ ক্যানভাস

জীবনের ক্যানভাসটা আজ পুরোনো, তেলচিটে , ফ্যাকাশে।
ধুলোপড়া স্মৃতিগুলো আজ-ও ভীঁড় করে তার গায়,
স্মৃতির জানালায় রং বেরঙের পাখিদের কিচির-মিচির শোনা যায় আজ-ও,
গোধুলির রং দেখে উষা ভেবে ভুল করাটা আজ স্বভাব।

আমার ভালোলাগাগুলো সাজিয়ে রেখেছি কুলুঙ্গিতে, সে অনেকদিন হলো!
তারপর আর হাত বোলাইনি পোষা মেনির মাথায়,
সবুজ ঘাসের আগায় জমা শিশির দিয়ে পা ধোওয়া হয়ে ওঠেনি আর,
রাতের আঁধারে, একা বোসে, আকাশের তারাদের সাথে গল্প করার স্মৃতিও আজ অস্পষ্ট।

কত দিন গেছে, কত রাত গেছে,
বাস্তবের সমস্ত অবিচলতার ছায়া পড়েছে স্বপ্নে, 
ধুসরতার গায়ে স্মৃতির জলচছবি গুলো প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে,
কতবার স্বপ্নে আমার কুলুঙ্গিকে আমি করেছি নয়ছয়, নিজের হাতে!

এখন শুধু অপেক্ষা,
সাদা-কালো ছবির গায়ে রঙের শেষ আঁচড়টা না পড়লে এ ছবি যে অসম্পূর্ণ !

Monday, November 18, 2013

সুখ -কল্পদ্রুম!

চলরে সবাই খুঁজতে হবে, খুঁড়তে হবে মাটি,
লুকোনো আছে তারি নীচে, রত্ন নাকি খাঁটি! 
কোদাল শাবল বাগিয়ে হাতে,
ছুটে আয় সব আমার সাথে,
খাটবো মোরা একসাথে আজ, সর্ব দিবস-রাতি-
চলরে সবাই খুঁজতে হবে , খুঁড়তে হবে মাটি।

দেখ রে সবাই খাটছে লোকে, ফেলছে মাথার ঘাম,
রক্ত  দিয়ে গল্প লেখে ছড়ে যাওয়া কালো চাম-
শষ্য ফলায়-পেয়াঁজ আলু ,
চড়া আজ যার মার্কেট ভ্যালু ,
দিনের শেষে ভাগ্য হেসে, হাতে করে চুনকাম-
খুঁজতে হবে রত্ন রে ভাই, চল নিয়ে রাম নাম। 

শুনেছিস ভাই কাঁচের ওদিকে, যারা থাকে সেজে গুজে,
তারা নাকি পেয়েছে আবার দুটো রত্ন খুঁজে,
কত নাচানাচি, আলো রোশনাই,
দেখে শুনে সব মন ভরে যায়,
কত খাওয়া দাওয়া, কত সাজগোজ, মোরা শুধু যাই খুঁজে!
মোদের রক্তে ঘর্মে আলো ওদের পিলসুজে।

দিন কেটে যায় রাত কাটে কৈ, কেন আসেনা ঘুম,
কেন ওদিকটা এতটা জাঁকালো, এদিকটা নিয্ঝুম!
মোরাই ফলাই সোনার ফসল,
মোদের শরীরে সর্ব ধকল,
মোদের জোরেই বছর বছর , নেতাদের শীতঘুম,
চালা রে ভাই শাবল গাইতি, সুখ -কল্পদ্রুম!

Wednesday, July 17, 2013

February-2, 2012

তুমি আমির মাঝে যদি এখনো প্রাচীর আছে,
তুমি শুধু তুমি-ই থাকে, আসে না আমার কাছে।
পারিস যদি ভাঙতে সেই মাঝের বেড়া জাল,
তুমি আর আমি মোদের হয়ে থাকবে চিরকাল।

November-1, 2011

দুই চোখের এক ফোঁটা জল, ভাসিয়ে দিতে পারে সমস্ত চরাচর। 
দুই চোখের এক টুকরো চাহনি, ভরিয়ে দিতে  পারে সমস্ত শুন্যতা। 
দুই চোখের এক বিন্দু আশা, এক রাতে গড়ে দিতে পারে তাজ্মাহাল।

Tuesday, June 25, 2013

সরীসৃপ

মোদের  নাকি  রক্ত গরম, উষ্ণ নাকি পারা ,
মোরাই  নাকি মেরুদন্ডি , শক্ত শিরদাঁড়া।

চায়ের কাপে তুফান তুলি , খবর-কাগজ হাতে,
যে তুফানের গন্ডি বাঁধা, চা-টেবিল এর সাথে।

মোরাই তো সব গলা সাধি, মিছিলে সদলবলে,
সব দেখেও চোখ বুজি ভাই মোরা একলা হলে।
অঢেল জ্ঞানের বোঝা নাকি মদের শিরপরে ,
মোরাই  তো ভাই নির্ভিক-অটুট, আপন আপন ঘরে।
আর বাকিটা বলব কি আর সবাই তো সব জানে,
ভর্তি মোদের শুন্য খাতা দর্প-অভিমানে।
গরম রক্তে মোরাই প্রথম সরীসৃপ এ ভবে ,
চলো-মেরুদন্ড শিকেয় রাখি - জ্ঞানের আসর হবে ..

Wednesday, February 27, 2013

প্রাপ্তি

ফিরিয়ে দেওয়ার আগে,
দু মুঠো আন্তরিকতার সাথে একফোঁটা বিষ মিশিয়ে ছিলাম, যৌনতার,
ফুটপাথ  এর  শেষ আলোতে শেষ বারের মত সেঁকে নিয়েছিলাম,
রক্তের শীতলতা ।
সবুজ ঘাসের অভ্যাশেই আজ আমার জন্ডিস,
ঝুরঝুরে হলুদ রং এর ফ্যাকাশে ক্যানভাসটা  যেন শুধু  আমার।
অর্ধভঙ্গুর ছাদের ওপর ভাঙা আকাশের মত মনের ঘুড়িটা দিকপালহীন,
টিক টিক শব্দে হারিয়ে গেছে
আঁধার রাস্তা,নিরালা মন্দির, আর্ট ফিল্ম এর নাইট-সো,
দিন-রাত-দুপুর-বিকেলের উত্তেজনা।
মদ্য লোলুপতা আর নারীসঙ্গ দুই-ই ঘুচেছে,
জমাট বাঁধা রক্তের স্রোত বইয়ে পেয়েছি ,
সেই সেদিন তোমার গন্ধে হারিয়ে ফেলা নিজেকে। 

Wednesday, December 19, 2012

আমি আজ তোর

তোর চোখে আজ স্বপ্ন দেখা,
হাত ধরে তোর হাঁটতে শেখা,
তোর সাথে আজ জীবন রেখা-
                                ভাবের হুল্লোর।
মোর জীবনের ধুসর পাতায়,
তোর  ছোঁয়াতে রং চড়ে যায়,
সুখ দুঃখের হিসেব ছাড়াই -
                             আমি আজ তোর।

Tuesday, December 18, 2012

বন্দী


হাঁসফাঁস করে  প্রাণ ভোমরা ...বৃথা  এই  কথা বলা,
আঁধারের কালো হাত যে আমার চেপে ধরেছে গলা;
নিজের মধ্যে নিজেই যে আজ হয়ে গেছি আমি বন্দী,
নয়কো অন্য কারুর এযে নিজের-ই  অভিসন্ধি

রক্ত জমে শিকল গড়েছে , শিরায় লেগেছে গীঁট,
নরম হৃদয় জমে হয়েছে তাপহীন কনক্রিট
আটকে পড়েছি ছদ্মজালে, কার জানি এই ফন্দি,
নিজের মধ্যে নিজেই যে আজ, হয়ে গেছি আমি বন্দী।

Monday, June 25, 2012

মহাপ্রয়ান


দুরবিনে চোখ রেখে...বুজেছিলাম চোখ...
শীতলতার স্পর্শেও তাই আজি ছ্যাঁকা লাগে গায়..
নাভিমূল বেয়ে যবে উর্দ্ধে ওঠে পারা..
রোমে রোমে...সারা গায়ের আড়মোড়া ভাঙে..বিসম জ্বালায়..
খুঁজে পাওয়া স্রোতস্বিনী...সাহারার বুকে..
লোনা জলে....বিস্বাধ মুখ...তৃষ্ণা মেটে কই...
রোজের এই পথ চলা...ভালবাসার সুখে...
কাঁটা পায় ..গায়ে জ্বর...বেদনা অথই...
যদি হোও হলাহল...একবার এসো..
মন ভরে তোমায় আজ করব যে পান..
শেষ বারের শীতলতা বাঁচিয়ে রেখে মনে..
হোক শেষ তবে মোর প্রেমের সন্ধান...
হোক মহাপ্রয়ান...

Sunday, June 24, 2012

আম চুরি

চল যাই, গিলে খাই, মগজের ঘিলু..
আম গাছ, মোরা  পাঁচ , সাথে নেই বিলু ....
রাম বাবু, দুধ সাবু, খায় গবগব ....
এই ফাঁকে , গাছ টাতে , উঠে পড়ি  সব ...


ওরে হরি,তড়িঘড়ি , খাওয়া হলো সার ...
যদি গাছে, দ্যাখে পাছে , তবে এইবার ...
হাড়-গোড়, তোড়-ফোড়, করে তবে ছাড়ে ...
মোটা হাতি , যমের নাতি, রঘুপতি পাঁড়ে ...


দ্যাখ ওই, হাতে মই , রাম বাবু আসে...
হাতে লাঠি , রঘুপতি , ওই যে তার পাসে ...
এই মরি, কি করি, দেব নাকি লাফ ...
মার দৌড় , হে গৌর , রক্ষে কর বাপ ...


যদু শালা, চল পা, লাফা চট পট ....
রঘু..ওরে , লাঠি ধরে, চায় কটমট ....
ছাড় আম, আগে নাম, প্রাণ আগে ভাই ...
ওই লাঠি, খাবো এমন, ছাতি মোর নাই ...


কাল রাতে, তোর পাতে, কাটা আম দেখে ...
মন মোর , আম খোর , উঠেছিল চেগে ...
তুই ছোঁড়া , নষ্টের গোড়া , মার যদি খাই ..
মারে মোর, ভাই তোর , নিস্তার নাই ....


মন ভরে , চুল ধরে, দিলেম এক টান ...
এক খোঁচা, যদুর কোঁচা, খুলিল সটান ...
রাগে ব্যাটা, এমন ঠ্যাটা, মারলো এক চড় ...
ব্যাস শুরু , গুরু গুরু, মোদের  সমর ...
এই দেখে, রাম রঘু, লাঠি-সটা ফেলে ...
টানা টানি, পদ-পাণী, বিসম আক্কেলে ...


হাতে দুই, আম থুই , রাম বাবু বলে ..
এই নাও, আম খাও, যাও ঘর চলে...
কাড়া কাড়ি, মারা মারি, করে নাকি বাবু ...
কচি ছেলে, আম খেলে, দাঁত হবে কাবু ...


ফিরি ঘরে, মহাদরে, আম খেতে খেতে ...
এরপর..বাদাম চুরি ..বাবুদের ক্ষেতে ....

Thursday, June 21, 2012

পোড়ার নেশা

আজ অভিমান ,
দিন্ভরের ক্লান্তির পর ঠোঁটের কোণে  তোমার অভাব ...
শুধু  স্মৃতি জড়িয়ে থাকা....
আমার আঙুল বেয়ে তোমার অবয়ব ..

পুড়ে যাওয়ার অভ্যেস তোমার আগুনে...
আজ আমার সঙ্গী..

ঠোঁটের কোণে জমে উঠছে ঘাম...
নিসপিস করছে আঙুল ...
শ্বাসনালী বেয়ে ভেতর অবধি ..অভাব শুধু তোমার ...
কে তুমি ??
সিগারেট ..নাকি আমার কপাল..
রোজ পোড়ে ...ধুসর ধোয়ার  গন্ধে হয় নেশা..
তবু রাজি পুড়তে ...
পুড়ে পুড়ে  কয়লা হয় ছাই ...আর চেনা যায় সোনা ....

তাই আমার পোড়ার নেশা ......

অস্পৃশ্য

দিনের পর দিন পড়ে থেকে ধুলো জমেছে গায় 
ব্যবহারের অভাবে আজ মরচের দাগ প্রকট ..
আলো বাতাস বৃষ্টি সবই ওই ধুলো আর মরচের আস্তরণে ধাক্কা খেয়ে ফিরে যায় 
আমি আজ তাই অস্পৃশ্য.....
কর্ণপটহে তরঙ্গের ঢেউ এর সনসন আর নেই,

নেই কনিনিকায় ঠিকরে পরা রামধনুর খেলা,
চিত্কার করেও আজ সাড়া  নেই কোনো...
আমার আর তোমাদের মাঝে...একটা কাঁচের  প্রাচীর ...
চুলে পাক ধরেছে জ্যোত্স্নার রঙে ,
আজ আর জ্যোত্স্না আমার বারান্দায় ছোয়ায়  না তার ঠোঁট!

যৌবনের রং তো স্পর্শে সঞ্চারিত..
আর আমি তো অস্পৃশ্য ....

Saturday, June 16, 2012

সঙ্গোপনে

জীবন একটা রঙ্গশালা,
ভাঙা গড়ার যাত্রাপালা,
প্রেম বিরহ দহনজ্বালা,
মুখোস ঢাকা সব। 


লোকের মাঝেও হারিয়ে যাওয়া,
চোখটি খুলেও হোঁচট খাওয়া,
মেকি সকল চাওয়া পাওয়া,
ধুসর অবয়ব।

ব্যবহারিক দ্রব্য সকল,
ভাব অভিমান সবই নকল,
মনমধ্যে কেবল ধকল,
অনাবিল তাণ্ডব।

টুকরো কিছু আঁকড়ে ধরে,
সবাই আছে বেঁচে মোরে,
যে যার নিজের মতন কোরে,
সাজায় মোচ্ছোব,
সঙ্গোপনে।

Wednesday, June 13, 2012

আমার দাবি মানতে হবে

আমি যৌনতা
রোজ সকালের ম্যাগাজিন এর পাতা থেকে শুরু করে ...
টি ভি চ্যানেল এর add  movie  serial  এ আমি তোমাদের ই মাঝে ...
দিনে একই কাগজের পাতা, একই টিভি চ্যানেল বারবার ঘোরে শুধু আমার জন্য ...
রাস্তায় রাস্তায় ছেলে মেয়েদের চোখে চোখে আমার আবেদন....
রাতের বিছানায় আমি কারুর সঙ্গী তো কারুর স্বপ্ন ...
আমায় ছাড়া তোমাদের জীবন ফ্যাকাশে ...রংচটা ....
অথচ আমায় নিয়েই তোমাদের এত সমস্যা...
সেন্সর এর ধাক্কায় আমি ভেঙে  চুরে যাই ...সিনেমার পর্দায়...লেখার পাতায় ...
আর যারা আমায় কেটে ছেটে আমার অঙ্গহানি করে...
রাতের বিছানায় তারাই সব থেকে খুসি আমার ওপর...
কেন এই দ্বিরুপতা ...কেন এই অনাচার ...
প্রেম বিরহ ভাব ভালবাসার মত
আমাকেও দাও না কেন একটা স্বাধীন স্বত্তা...
আমিও বাঁচতে চাই তোমাদের ই মাঝে ...
আমার সম্পূর্ণতা নিয়ে...

Tuesday, June 12, 2012

এবার কপালে চালাব কলম

তিনকাল গিয়ে এককালে ঠেকেছে আমার লেখা..
আজ একটু খাতার ওপর কলম চালানো বন্ধ করে...
নিজের কপালে কলম চালাব বলে....
হাতে নিয়েছি...ছুরি....
দুপাশে বনবিথী আর পেছনের ওই পানাপুকুর ছেড়ে...
আমি তখন এগিয়ে চলেছি ক্রম সংকুচিত একটা রাস্তায়...
গাছের শুকনো পাতার কার্পেট এ পা ফেলে যেতে যেতে মনে হচ্ছিল...
এভাবেই বুঝি এগিয়ে যাওয়া যাবে সমস্ত টা পথ...
পাখিদের কলকন্ঠের কাকলি আর  মৃদুমন্দ বাতাসে..মন শ্রীহরিত...
হঠাত মাথার ওপরের সূর্য টা কেমন যেন জ্বলে উঠলো..
টগবগিয়ে ফুটতে  লাগলো সারা শরীর....
মৃদু হওয়া  বদলে যেতে লাগলো ঝড়ে...
শুকনো পাতার গা বেয়ে বেরিয়ে আসতে লাগলো..কাঁটার আবরণ ...
বিঁধতে লাগলো পায়ে...
কিছুটা চলার পর...
রসনেন্দ্রিয়ে
আড়ষ্ঠতা  আর গমনেন্দ্রিয়ে ক্লিষ্টতা অনুভব করলাম ..
স্নায়ু  বেয়ে তীব্র বিদ্যুতের চলাচল টের পাচ্ছি....
আর শিরায় শিরায় উষ্ণ পারার স্রোত...
চোখ কান  মুখ ঘিরে একটা জমাট বাঁধা ধোয়ার গরম কুন্ডলী... 
আর বাড়িয়ে রাখা হাতের পাতায় একটা শীতল স্পর্শের প্রবল আকুতি....
সব কিছু বদলে যেতে লাগলো..ডান বাম অগ্র পশ্চাত ...সব...
সুন্দর পদ্যের পরিবেশ টা  রুপান্তরিত হলো চরম  বাস্তব গদ্যে..
আর তাই ছুঁড়ে ফেলে দিলাম কলম..আর হাতে তুলে নিলাম ছুরি..
এবার সেই ছুরি আছড়ে পড়বে..কপালের ভাঁজে..
তারপর যদি আবার আসে ফিরে...সেই সুন্দর কাব্য..
তোমরা কেউ আমার জন্য আবার কলম ধোরো.

Sunday, June 10, 2012

অপসারি জীবন

ওই রংচটা পথ বেয়ে
নেমে এসেছিলাম আবছা অন্ধকারে ...
নির্লিপ্ততায় ভর করে পা বাড়িয়েছিলাম কোন অজানার সন্ধানে...
আর আজ সেই অজানাটা  অনেকখানি জানা...
অন্ধকারের তরঙ্গ মুখটা  আজ ও দশা পরিবর্তন করেনি ...
তবে..ধংসাত্মক ব্যতিচারের পাস কাটিয়ে ...
আজ যেন একটা স্থির বিন্দুতে এসে মিশেছে  সমস্ত বলরেখা ...
একটি স্থায়ী স্থির বিন্দু ...
চারপাশের বিচলনের প্রভাব আজ সীমিত....
এবার শুধু অপেক্ষা...
কবে এই অন্ধকার কে ঘিরে তৈরী হবে এক জোতির্ময় আলোকবর্ত...
আর তার পাসে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়বে ....
শত শত নক্ষত্র ..
তৈরী হবে একটা নতুন নক্ষত্রমণ্ডল ..
শেষ হবে একটা নতুন জীবনের সন্ধান...
আর তারপর....
সেই এক-ই ইতিবৃত্ত প্রত্যেকটি নক্ষত্র কে ঘিরে ...
আবার অন্ধকার এ পা বাড়ানোর সাহস...
আবার নতুন নক্ষত্র মণ্ডল এক একটি নক্ষত্র কে ঘিরে .....
এক অপসারি শ্রেণী .....জীবনের .....

Friday, June 8, 2012

কাব্যের খোঁজে

কয়েক  ফোটা  দ্রাক্ষারস ...এক টুকরো আফিম....
দপদপ করে মাথা ....আলো টিমটিম...
অনিয়ন্ত্রিত পদলালিত্য ...আর আধো আধো বোল...
চরিদিক মায়াময় ...সবেতেই ঝোল......
ক্লিশ ধরা সময়.....টিক টিক বয়...
মগজাস্ত্রের অপপ্রয়োগ আর প্রানের অবক্ষয়...
স্বাধ হীন সময়ে তরঙ্গের লেশ...
যেথায় ভাবি এই শুরু ...সেথায় দেখি শেষ ....
হাত পা চোখ মুখ ....কান ...সব ঢেকে....
মায়াময় গদ্যের কান্ডারী দেখে ....
আজ আমি নিশ্চুপ কাব্যের খোঁজে....
মোর কাব্যই মরে শুধু বোঝে.....
তাই
আবার দ্রাক্ষা আর আফিম অ বুঁদ হয়ে...
কাব্যের খোঁজে যাব বয়ে .....
চির অবক্ষয়ে .....

Friday, April 13, 2012

তোমাদের নববর্ষ শুভ হোক

খামখেয়ালি জীবনযাত্রা, উদ্ভ্রান্ত পদক্ষেপের মধ্যে হঠাত একটা আশার আলো সব সুন্দর করে তোলে I ইচ্ছে করে খামখেয়ালিপনা ছেড়ে বাঁধা ধরা জীবনের ঘেরাটোপে ধরা দিতে, কারুর জন্য, বিশেষ কারুর জন্য I চোখের কালিমা, মনের অন্ধকার দুরে ঠেলে মন চায় আশার সমুদ্রের মধ্যে বালির ঘর বাঁধতে I এই ঘর বাঁধার বাসনায়, সমুদ্রের রুপাস্বাদন করতে করতে ভুলে যাই, যে সমুদ্র ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখিয়েছে সেই সমুদ্রের বুকেই ভেসে আসবে বিদ্ধংসী ঢেউ I ভাসিয়ে নিয়ে যাবে সমস্ত আশা আকাঙ্খা বাসনা আনন্দের চোরাবালির স্তুপে সাজানো রঙিন স্বপ্নের সংসার I নিস্তব্দ্ধ জীবনে যে সমুদ্র আনতে পারে প্রানের তরঙ্গ সেই সমুদ্রের ঢেউ এর তরঙ্গমুখেই লেখা থাকে সমুদ্রে পাল তোলা নৌকার ইতিকথা I
আজ আবার একটা দিন যেদিনটায় কিছু ভাবা বলা শোনার ক্ষমতা লুপ্ত হয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে সমুদ্রের  বুকে ভেসে থাকার একমাত্র সম্বল I ডুবে যাচ্ছি দুঃখ হতাশা আর গ্লানির সমুদ্রে I হাতড়ে কিছু ঝাপটে ধরে ভেসে থাকার না আছে ইচ্ছে না আছে ক্ষমতা I দম বন্ধ হতে হতে কবে স্বাস বায়ু পথটা বন্ধ হয়ে জীবনের আগলটা টেনে দিয়ে যাবে, সেই অপেক্ষায় দিন গোনার সাহসটুকুও আজ দূর অস্ত I ভোর হলে আবার উঠবে সূর্য, আবার ডাকবে পাখি, আবার জমা কুয়াশা কচুপাতার কোলে দোল খাবে আর হীরের মত জ্বলজ্বল করবে, জানান দেবে আবার একটা নতুন দিনের, আবার নিয়ে আসবে নতুন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা I কিন্তু যার জীবনে আর স্বপ্ন দেখার সাহস টাই নেই বেঁচে, যার চোখে আলো পড়লে আজ ভয় করে, যার ত্বকে রোদ পড়লে জ্বালা করে তার কাছে কি-ই বা নতুন সকাল, কি-এ বা নববর্ষ I মনের মেঘ ঠেলে আনন্দের আলো ঢোকার রাস্তা টা সংকীর্ণ অতি সংকীর্ণ হতে হতে আজ বিলুপ্তপ্রায় I অন্ধকারের মধ্যে মুখ লুকিয়ে আলোর ভয়ে স্তিমিত থেকেও শুধু একটাই প্রার্থনা, তোমাদের নববর্ষ শুভ হোক I

Tuesday, March 27, 2012

কেমনে থাকি অন্ধ রে

যে মনে মন লেগেছে...সেই মনেরই কন্দরে...
জাগে যদি বিসম ব্যথা...কেমনে থাকি অন্ধ রে ..
কেমনে থাকি অন্ধ রে.........
সাগরে হায় দুঃখের  প্লাবন...ওঠে যদি মন নীড়ে..
দুলে ওঠে জীবন তরী ...দাঁড় পাল সব যায় ছিঁড়ে..
ঝড়ের দোলায়, জীবন স্রোতে ভেসে যাওয়া আজ বন্ধ রে..
এমন দিনে মনের দুঃখে কেমনে থাকি অন্ধ রে..
কেমনে থাকি অন্ধ রে..
ভালবাসার শ্যামল ক্ষেতে..ধরে যদি হায় কিট রে ভাই..
সোহাগ লাগা সোনার ফসল..হারিয়ে গেলে পাই কোথায়...
প্রানের ক্ষুধা..মনের জ্বালা..সব নিয়ে যদি মন কাঁদে..
অশ্রু সজল নয়ন নিয়ে..শির রাখি হায় কার কাঁধে ..
বেগতিকে যদি প্রাণ পাখি মোর..খেয়ে যায় আজি ধন্দ রে..
প্রাণ সখা হয়ে ..তার বেদনে কেমনে থাকি অন্ধ রে ..
কেমনে থাকি অন্ধ রে..
যে পরানে রং  লেগেছে সেই পরানের-ই অন্দরে...
ভাঙ্গে যদি অশ্রু ধারা..কেমনে থাকি অন্ধ রে..
কেমনে থাকি অন্ধ রে...
যে মনে মন লেগেছে...সেই মনেরই কন্দরে...
জাগে যদি বিসম ব্যথা...কেমনে থাকি অন্ধ রে..
কেমনে  থাকি  অন্ধ রে....

Friday, March 23, 2012

বদ হজমের যোগাড়

শহরের মেদবহুল রাস্তার  দুপাশে জমা গ্লানির চর্বি...
ঘুন ধরা ডায়েট চার্টের সাথে আজ বৈরিতা আমাদের শহরের
পাকস্থলীর..
পাউরুটির দুটো টুকরো আর আধখানা ডিমের বদভ্যাস চোখ ফেরালেই...
বাঁচার ইচ্ছেটাকে অতিক্রম করে যাচ্ছে খাওয়ার ইচ্ছে....
...
খাওয়া শুধু খাওয়া..
বিপাক ক্রিয়ায় বিষক্রিয়া..গ্যাস অম্বল বুকজ্বালা..
এসব নিয়েও আমাদের শহর...দেশ...আজ-ও বেঁচে আছে..
থাকবে হয়ত আরো কিছুদিন ..কিছু বছর..
আর তার সাথে থাকবে খাওয়ার ইচ্ছেও...কেড়ে খাওয়ার...
কেড়ে খাও... কুঁড়ে খাও..আপত্তি নেই...আর থাকলেই বা কি......
শুধু সমাজ টাকে খাওয়ার আগে ...একবার ভেবে দেখো...
Gelusil MPS antacid....কাছে আছে তো !!!

Friday, March 16, 2012

কালো চশমার আড়াল থেকে

ওপরের সিঁড়িটা মাঝখানে ভাঙ্গা......
মাঝখানে কালিমা....
ভুল রঙ্গে রাঙ্গা...আমার জীবন..তোমার জীবন...আমাদের ইতিকথা.....
সমাজের চোখে..অস্পষ্ট... কালিমাময় জঞ্জাল..
কালো আগল টেনেই আজ আমরা নষ্ট..নোংরা..নিচ..
সম্পর্কের বিচার আজ সমাজের কালো চশমার আড়াল থেকে...
ধরা পড়ে শুধু...কানভাসের ওপরের কালিমা..
ঈর্ষায় ছোড়া কাদায় লাগা কালো দাগ...
হিসেব নিকেশের খাতায় আজ আমরা অপচয়ের দলে..
লাল কালি লেগে আজ আমরা উদ্বৃত্ত....
বাদ পড়ে যায় সম্পর্কের পবিত্রতা..
ওই কালিমার পেছনের...
স্বচ্ছ, পরিস্কার...আমাদের সম্পর্কের কানভাস...
আজো আমাদের কাছে স্বচ্ছ...
শুধু তুমি জানো..আমি জানি...আর জানি আমরা...
তাই সেই সিঁড়ি দিয়েই উঠে যাব..
আমাদের সম্পর্কের চিলেকোঠায়....
কালো চশমার সাথে, এই লুকোচুরি খেলায়,..
আমাদের জিততেই হবে...জিততেই হবে...
তারপর যে যাই দেখুক, কালো চশমার আড়াল থেকে......

Tuesday, March 13, 2012

মৃত্যু তুমি আমায় ছোঁবে না


অপরাহ্ন বেলা...
গোধুলী রঙ্গে আবির খেলা...
ক্লান্ত দেহে...লড়াই শুধু রং হারানোর ভয়ে...
বাকি সব কিছু আজকে গেছে সয়ে...
নীলিমার বুকে রং ছড়াবে অস্তগামী রবি....
সেই রবি.. পুড়িয়েছে যে নীল আকাশের ছবি..
যৌবনের রোদে...বারে বারে....দুনির্বার আক্রোশে...
আর আজ......শেষ লগনে...
জেগেছে তার মনে...হাত বোলানোর নেশা...
পোড়ানো ঘায়ে...
কালিমার ছায়া পড়েছে...কালী মাখা আকাশ..
ধরেছে জরা...শক্ত বড় আপন করা জীবনের ক্যানভাস..
জীবনের শেষ রাতে...কিছু কথা লেখা...
একটুখানি ভালবাসা..কিছু উদ্বৃত্য নেশা...
লাল নীল হলুদের রং লাগা ঘা...
মৃত্যু তুমি আজ রাতে আমায় ছোঁবে না.....
জীবনের শেষ কাজ বাকি...সৌখিনতার শেষ সাজ বাকি...
শেষ রাতের লাজ বাকি...একটুখানি চাই সময়...
মৃত্যু তুমি আজকে দেখিওনা আমায় ভয়..
মৃত্যু তুমি... আজ রাতে আমার সাথে শোবে না......
মৃত্যু তুমি আজ রাতে... আমায় ছোঁবে না.....

Tuesday, March 6, 2012

বেলা শেষের কবিতা

শহুরে কোলাহল এ আমি হাঁপিয়ে উঠেছি...
পোড়া
ধোঁয়ার গন্ধে আজ দম বন্ধ  হয়ে আসে...
তেলচিটে কানভাসটায় আজ আলো অন্ধারী খেলা...
বোধয় বসন্তের আগমনী যায় শুনিয়ে...

লাল মুখ, নীল মুখ এর  আড়ালে আমি হারিয়ে যাচ্ছি..
নিজের অবয়ব টাও আজ নিজের কাছে ঘোলাটে...
ক্লান্ত
শরীর এর  নেই প্রশান্তির নীড়.
শ্রান্ত মনের মরুভূমিতে নেই ভালবাসার
ওয়েসিস...
আজ মন উদাস বাউল...আজ মন দেউলিয়া...

ভিঁড় ভাট্টার মাঝেও একাকিত্বের আরাধনা...
রঙিন  এই সমাজে আজ আমি  সাদা  কালো..

হৈ হুল্লোর এর মাঝেও আজ আমি চেয়ে থাকি ..একটা  ধুসর বিকেলের দিকে ..
নির্লিপ্ততা আমার সঙ্গী...
নিসঙ্গতা আমার দোসর...

ডানা ভাঙ্গা পাখির অদম্য ছটফটানি আমার বুকে..
সাগরের ডাক শুনতে আমায় যেতে হয় না সাগর কিনারে..
শুধু মাঝে মাঝে আকাশে উড়ে যাওয়া পাখি দেখে..
মন বলে ওঠে....
অনেক তো
হলো..এবার মুক্তি দাও....মুক্তি....

চিরমুক্তি....

Thursday, March 1, 2012

আমার গোপন বৃত্তান্ত

আমার আছে শরীর, আমার আছে মন,
এই নিয়েই আমার জীবন..
আমার আছে অনুভূতি...আমার আছে সখ...
আমার আছে ভুল ঠিক জ্ঞান, আমার আছে চোখ..
আমি শিখি, আমি দেখি, আমি জানি তাই....
আমার পারিপার্শিক আমায় যা দেখায় ভাই...
আমিও আজ ভালোবাসি...আমিও আঘাত হানি...
আমারও আছে বুক ভরা সুখ..মুঠো মুঠো সব গ্লানি.....
আমিও পড়ি, আমিও লিখি, আমিও ফলাই জ্ঞান...
আমারও লাগে বেস....পেলে ভালো ছেলে সম্মান...
তবে...
আজকে আমি ভালো থেকে খারাপ হতে চাই..
বাঁধা ধরা সব শিকড় গুলো উপড়ে ফেলবো তাই...
সকাল সন্ধ্যে, দিনে রাতে, ময়লায় মুখ গুঁজে..
আনব আমি পোকা মাকড়..সাপ খোপ সব খুঁজে...
ছেড়ে দেব পথে পথে, লোকের পায়ের কাছে..
জানবে সবাই, এই কিট রাও এই জগতেই আছে......
কাদা গোবর ঘাটব আমি...গায়ে লাগাবো ধুলো...
ফেলবো খুলে, টাক মাথায় পরে থাকা পরচুলো..
মেখে থাকা কৃত্রিম রঙ্গে আজি... আমি ঢেলে দেব জল...
সোপ পাউডার, রকমারি সবে মিশায়ে দেব মল.....
পারবে না কেও, সং সাজতে, লুকাতে নিজের রূপ...
আমি শুধু হাসব, আর বাকি সব নিশ্চুপ.....
বই খাতায় থাকবে না আর জ্ঞানের ছড়াছড়ি..
থাকবে শুধু...ভাত ডাল, মাছ ডিম চচ্চড়ি...
থাকবে নাকো বাধা নিষেধ..থাকবে না কোনো চাপ...
করব আমি মনের সুখে...মনের ইনকালাব.....
আসবে যারা সঙ্গে আমার...হাতটা বাড়াও দেখি...
গোপনে অতি  গোপনে আজি...আমরা ভাঙব মেকি...
আজি আমরা ভাংবো মেকি......

আমার শুকনো গোলাপ


গোলাপ তুমি একমুঠো রং, একটু কাঁটায় ভরা..
তোমায় নিয়েই প্রেম পিরিতি...শিখেছে এই ধরা..
তোমার সুবাস তোমার আঁচর...মনে মনে আছে লেগে..
তোমার স্মৃতি আজো আমার বুকের মধ্যে জেগে...
তোমার কোমল পাপড়ি গুলো আমার হাতের পরে..
আলতো করে ভালবাসা দেয় আদর যত্ন ভরে..
সেই গোলাপ-
তুমি শুকনো আজি...আজ তুমি ছিঁড়ে যাওয়া...
তোমায় আজ-ই উড়িয়ে দেয়...হালকা হিমেল হওয়া....
তোমার সুবাস নেইকো আজ আর...নেইকো তোমার রং...
নেইকো তোমার কাঁটার আঁচর...সব  যেন আজ সং...
বই-এর পাতা...পোকার গন্ধ..তোমার ইস্তেহার  ..
এই নিয়ে আজ আমার খেলা..স্মৃতির  সংসার..
আঁকড়ে ধরে তোমায় আমি...দাঁড়ায় ঝড়ের মুখে...
উড়ে যাই আমি...তবু তুমি থাক..শান্তিতে মোর বুকে..
কাঁটার আঁচরে বুক যে আমার...রক্তে রক্তে লাল...
লাল রক্তে, তোমার রং এর ফিরিয়ে দেব হাল ....
তুমি আমি একলা নই..দুজনে একাকার .....
আমার রং, আমার পরাণ - সব-ই যে তোমার.....
আমার শুকনো গোলাপ..আমার হৃদয় তব....
আমার শুকনো গোলাপ...আমি শুধু তোমার হব..
                         শুধু তোমার হব.... 

Thursday, January 12, 2012

রামধনু

নাইবা হোলো নতুন কিছু...নাইবা এলো সুখ....
তবু কি আমি স্বপ্নের জালে বাঁধবো না মোর বুক.....
সবার আকাশে সূর্য ওঠে আমার আকাশ কালো..
পারো যদি হে রামধনু..ঢালো গো রং ঢালো..
তোমার রঙের পরশে আজি যদি পাই ভালবাসা..
যদি আবার দেখতে পারি ভেঙ্গে যাওয়া সব আশা..
যদি গড়ে ওঠে...ফাঁকা প্রান্তরে...ছোট্ট কুঁড়ে ঘর..
পায় যদি ফের...হারানো তরণী...ফেলে আসা বন্দর....
তার পর যদি...রামধনু তুমি...আমায় জ্বালাতে চাও..
রাজি আমি...তোমার রঙে জ্বলব যে দাউ দাউ...
সবার আকাশে ছড়াবো রং..নিজের আগুন দিয়ে..
আগুনে আগুনে জুড়িয়ে দেবো ভেঙ্গে যাওয়া সব হিয়ে...
সেই আগুনেই থাকবে আমার স্বপ্নের জাল বোনা...
আগুনে পুড়ে স্বপ্নেরা মোর হয়ে যাবে সব সোনা..
সেই সোনা দিয়ে গড়িয়ে দেবো...হার, দুল, নাকছাবি..
পুড়বো আমি...তবু ভালবাসার রইবে আশারবি...
বল রামধনু...ঢালবে কি রং...দেবে কি সাড়া ডাকে..
জীবন খাতার জীর্ণ পাতায়...আঁকবে কি পট...ফিরিয়ে দেবে কি তাকে.....
ফিরিয়ে দেবে কি তাকে.........

Saturday, January 7, 2012

সবাই একলা থাকি

হৃদয় ভরা শূন্যতা...আর আকাশ ভরা তারা...
এই নিয়েই জীবনে আমার...গোপনের আস্কারা....
কৃষ্ণচুড়ার মাথার ওপর লক্ষী প্যাঁচার টিকি...
হাল হকিকত, তত্ব প্রমাণ, ভূল ভ্রান্তি ও মেকি...
সব ভুলে যাই...যেই দেখি ভাই...রামধনু আকাশেতে...
আলতো হাওয়ায়...উড়ে যেতে চায়...মন পাখি ধান ক্ষেতে...
চারিদিকে সব.....কল কল রব....সবুজে উঠেছে ঢেউ..
তাকিয়ে দেখি একলা  আমি...পাশে মোর নেই কেউ...
সবুজের মাঝে....পূর্ণিমা সাঁঝে....আমি আর মন পাখি...
গোপনে অতি গোপনে..... মোরা করি যে ডাকা ডাকি...
গোধুলি আসে গোধুলি যায়...
আকাশের পট আঁধারে মিলায়....
আকাশের চাঁদ...মেঘের আড়ালে...দেয় যে শুধুই ফাঁকি..
তারপর যেটুকু বাকি...
তারই ভীতের ওপর...
আমি তুমি ও আমরা....সবাই একলা থাকি...
সবাই একলা থাকি....

Friday, January 6, 2012

দিশারী





নিস্তব্ধ একটা বিভীষিকা.....

তারপর....

মায়া মৃগের হাতছানি....

করেছি ভুল...করছি আবার...তাও আমি জানি....

নিশি যাপন...সুরা সেবন...মন হারানোর নেশা..


রোজ সকালে নতুন দিনেও পুরানো সেই পেশা...


ঘুমিয়ে পড়ি দিনের আলোয়...ঘুম ভেঙ্গে যায় রাতে..

হেঁটে চলি পথে প্রান্তরে...একাকিত্বের সাথে...


রাত বিরেতের আঁধার মাঝে..অল্প একটু আলো...

নিস্ব আমায়, পারো যদি...চিতায় তুলে জ্বালো...

কর আমায় বহ্নিসিক্ত..রিক্ত করো মোরে..

পুড়িয়ে ফেলো সব পিপাসা..গ্রন্থিত মন ডোর-এ...


এবার যেন ঘুম ভাঙ্গে প্রাতে..কাটিয়ে আলোর ভয়...

নিষিদ্ধ সেই রাতের পর...সব যেন হয়....

আলো-ই আলোময়......আলো-ই আলোময়.......